Showing posts with label রেসিপি. Show all posts
Showing posts with label রেসিপি. Show all posts

Tuesday, December 29, 2015

ফালুদা




উপকরণঃ

ঘন দুধ ৩ গ্লাস, চিনি ৩ টেবিল চামচ একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে।
নুডলস সিদ্ধ প্রয়োজনমতো। ভ্যানিলা আইসক্রিম প্রয়োজনমতো। স্ট্রবেরি বা পেস্তা আইসক্রিম প্রয়োজনমতো। মাওয়া
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাবারটা এখন আমাদের দেশে অত্যন্ত পরিচিত, জনপ্রিয়ও বটে। তৈরি করতে সময় কম লাগে, আর মচমচে বলে খাবারটি ছোট বড়

Thursday, November 29, 2012

রসগোল্লা (চিনি ছাড়া)


উপকরণ: ছানা এক কাপ, ক্যালডারিন এক চা চামচ, ময়দা এক চা চামচ, সুজি আধা চা চামচ, এলাচের গুঁড়া সামান্য, বেকিং পাউডার সামান্য।
প্রণালি: ছানার পানি ভালো করে ঝরিয়ে ছানা বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে। ছানা হাত দিয়ে

Tuesday, November 27, 2012

ডিমের মিহি দানা


ডিমের মিহি দানা
ডিমের মিহি দানা, আমার ঘরে খুবই প্রিয় একটি খাবার। 

Tuesday, October 11, 2011

লাচ্ছি


উপকরন: দই এক কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঠান্ডা পানি ১ কাপ, বরফ কুচি , গোলাপ জল।

প্রণালী: দই ফেটে ঠান্ডা পানি মেশান। এরপর এতে সিরাপ বা চিনি মেশাতে হবে। এরপর গোলাপ জল ও ঠান্ডা পানি মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

ফুচকা


উপকরণঃ ময়দা ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো, তালমাখনা ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, টকদই ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো, সুজি আধাকাপ, লবণ পরিমাণমতো, ডাবলি ছোলা সেদ্ধ পরিমাণমতো, আলু সেদ্ধ ডাবলি ছোলার অর্ধেক।

টক তৈরির প্রণালীঃ তেঁতুলের ক্বাথ ১ কাপ, দই সিকি কাপ, বোম্বাই মরিচ বাটা আধা চা চামচ, এলাচ কয়েকটি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ এবং পরিমাণমতো বিট লবণ দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে।

ফুচকা তৈরির প্রণালীঃ ময়দা, তালমাখনা, টকদই, সুজি, লবণ মেখে শক্ত ডো তৈরি করে এক ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিতে হবে। তারপর রুটি বানিয়ে ছোট করে ধাতব গ্লাসের মুখ দিয়ে ফুচকার আকারে কেটে গরম তেলে ভাজতে হবে।

প্রণালীঃ প্রথমে ডাবলি, আলু, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, তেঁতুলের টক, চটপটির মসলা দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে। এবার প্রতিটি ফুচকার ওপর একটু ভেঙে ১ চা চামচ করে মিশ্রণ ভরতে হবে। প্লেটের মাঝখানে ছোট বাটিতে টক দিয়ে চারপাশে ফুচকা সাজিয়ে নিন। ওপরে পেঁয়াজ কুচি, শসা, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

চকলেট আইসক্রিম


উপকরণ:গুঁড়া দুধ ২ কাপ, পানি আড়াই কাপ, চিনি ২ টেবিল-চামচ, চকলেটের দুটি ছোট বার, ক্রিম ১ টিন, ওভালটিন ৩ টেবিল-চামচ, তরল গ্লুকোজ ১ চা-চামচ, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, জেলাটিন গোলানো ২-৩ টেবিল-চামচ, সিএমসি পাউডার গোলানো ১ টেবিল-চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালি: গুঁড়া দুধ, পানি, কনডেন্সড মিল্ক, চিনি, ওভালটিন ও কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। মিশ্রণ প্যানে ঢেলে চকলেট দিয়ে জ্বাল দিন। ঘন হয়ে উঠলে নামিয়ে তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর সিএমসি ও জেলাটিন গোলা মেলাতে হবে। ঠান্ডা হওয়ার পর ক্রিম মিলিয়ে বিট করতে হবে। মিশ্রণটি ডিপ ফ্রিজে ২ ঘণ্টা রেখে জমাতে হবে। দুই ঘণ্টা পর পর বের করে বিট করতে হবে চার-পাঁচবার। শেষের বার মেরাং বানিয়ে একসঙ্গে মিলিয়ে জমাতে হবে। ২টি ডিমের সাদা অংশ ও গুঁড়া চিনি ২ টেবিল-চামচ একসঙ্গে বিট করে মেরাং বানাতে হবে। মিলিয়ে চূড়ান্তভাবে জমাতে হবে। ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা জমার পর পরিবেশন করুন।

 আধা কাপ পানিতে ১ চা-চামচ জেলাটিন গুলিয়ে নিতে হবে। এই গোলা থেকে ১ টেবিল-চামচ।
 আধা কাপ পানিতে ১ চা-চামচ সিএমসি পাউডার গুলিয়ে নিতে হবে। এই গোলা থেকে ১ টেবিল-চামচ

ক্রিম জাম

উপকরণ: ছানা দেড় কাপ, মাওয়া আধা কাপ, ময়দা আধা কাপ, ঘি এক টেবিল চামচ, মাওয়ার সোডা সিকি চা-চামচ, খাওয়ার লাল রং সামান্য, ক্রিম এক কাপ।
শিরার উপকরণ: চিনি চার কাপ, পানি সাত কাপ, তরল দুধ আধা কাপ, গোলাপ এসেন্স সামান্য।
ভাজার উপকরণ: ঘি এক কাপ, তেল এক কাপ।

প্রণালি: চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে তাতে দুধ দিয়ে শিরার ময়লা কেটে ছেঁকে রাখতে হবে। ময়দা ও ঘি একসঙ্গে ময়ান দিয়ে তাতে মাওয়া মেশান। এবার এক চা-চামচ পানিতে খাওয়ার সোডা মিশিয়ে তা ময়দার মিশ্রণের সঙ্গে মেলান। পরে ছানার সঙ্গে মিশ্রণটি ভালোভাবে মেখে সামান্য লাল রং মিশিয়ে কালোজামের আকার করে নিন। ঘি ও তেল একসঙ্গে অল্প গরম করে কালোজাম অল্প জ্বালে ভাজুন। মিষ্টি ভেসে উঠলে কিছুক্ষণ ভেজে ঘি থেকে উঠিয়ে গরম শিরায় দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ফুটান। মিষ্টি চুলা থেকে নামিয়ে শিরাতে এক কাপ গরম পানি দিয়ে চার-পাঁচ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে শিরা থেকে উঠিয়ে নিন। মিষ্টি ছুরি দিয়ে লম্বালম্বি চিরে ভেতরে ক্রিম লাগিয়ে পরিবেশন করুন।

মাছের ডিমের পুঁই খিলি


মাছের ডিমের পুঁই খিলি
[আটজনের জন্য পরিবেশন]

উপকরণ: মাছের ডিম (যেকোনো) ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, সরিষা বাটা আধা চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, পুঁইপাতা ১০-১২টি, টুথপিক ১০-১২টি, ময়দা ১ কাপ ও তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: ডিম (মাছের) পরিষ্কার করে ধুয়ে তাতে হলুদ, মরিচ, সরিষা বাটা, লবণ ও লেবুর রস মাখিয়ে নিন। একেকটি পুঁইপাতা পানের খিলির মতো করে তাতে মাছের ডিম ভরে দিন এবং টুথপিক দিয়ে পাতার মুখ বন্ধ করে ময়দা, পানি ও লবণ দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে তাতে খিলিগুলো ডুবিয়ে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে তুলুন। পরিবেশনের সময় টুথপিকগুলো খুলে চায়ের সঙ্গেও পরিবেশন করা যায়

Friday, August 26, 2011

ডিমের ঝাল পোয়া পিঠা


ডিমের ঝাল পোয়া পিঠা

উপকরণ: আতপ চালের গুঁড়া ১ কাপ, সেদ্ধ চালের গুঁড়া ১ কাপ, ময়দা আধা কাপ, ডিম ২টি, পেঁয়াজ মিহি কুচি সিকি কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ২ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, কুসুম গরম পানি পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার আধা চা চামচ, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: আতপ চাল ও সেদ্ধ চালের গুঁড়া, ময়দা, বেকিং পাউডার, চিনি একসঙ্গে খুব ভালো করে মিলিয়ে নিতে হবে। পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, লবণ একসঙ্গে ভালো করে চটকিয়ে ডিম দিয়ে মাখিয়ে ময়দার মিশ্রণে মেলাতে হবে। প্রয়োজনমতো পানি দিতে হবে। গোলা করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, গোলা যেন খুব পাতলা না হয়ে যায়। তেল গরম করে সিকি কাপ পরিমাণ গোলা ছাড়তে হবে। পিঠা ফুলে উঠলে উল্টিয়ে দিয়ে কাঠি দিয়ে পিঠার মাঝখানে ছিদ্র করে ভেতরের বাতাস বের করে দিতে হবে। পিঠা ভাজা হলে চুলা থেকে নামিয়ে টমেটো সস অথবা গ্রিন চিলি সসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

মিনি টিকিয়া ললিপপ




মিনি টিকিয়া ললিপপ

উপকরণ: মাংসের কিমা আধা কেজি, ছোলার ডাল সিকি কাপ, শুকনা মরিচ ২-৩টা, জিরা ১ চা-চামচ, ধনে ১ চা-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, দারচিনি ২ টুকরা, লবঙ্গ ১টা, আদা কুচি ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ ছোট দুটি, ডিম অর্ধেক।

প্রণালী: পেঁয়াজ, কিমা, ডাল, মরিচ, জিরা, ধনে ২ টেবিল চামচ তেল ও সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। পানি শুকালে লবণ ও চিনি দিয়ে দারচিনি, লবঙ্গ ও আদা বেটে নিতে হবে। সেদ্ধ মাংস বেটে নিন। এবার বাটা মসলা ও ডিম দিয়ে মাংস ভালোভাবে মেখে নিন। ছোট ছোট টিকিয়া বানিয়ে ললিপপের আকার দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

রসভরি পিঠা – নোয়াখালীর নিজস্ব স্বাদ

রসভরি পিঠা - আমি শিখেছি মায়ের কাছ থেকে, যখন গ্রামে ছিলাম, অনেক বছর আগে। এখনকার মেয়েরা হয়ত ঠিকমত বলতেও পারবে না রসভরি আবার কেমন পিঠা। রসে টইটুম্বুর থাকে বলেই এই পিঠার নাম রসভরি। এই পিঠার রেসিপিটি নোয়াখালীর একেবারেই নিজস্ব, ভাল হাতে তৈরী হলে এই পিঠা স্বাদে অতুলনীয় হয়ে ঊঠবে। তাই বলে আপনি কি পারবেন না এটি নিজের রান্নাঘরে তৈরী করতে? অবশ্যই পারবেন, আমার রেসিপিটি দেখে একবার চেষ্টা করেই দেখুননা। চেষ্টার ফলাফলটা অবশ্যই জানাবেন।
রসে টইটুম্বুর রসভরি পিঠা





উপকরণঃ

ডিম – ৩ টি
সুজি – আড়াই কাপ
দুধ – ৪ কাপ
লবণ – ২ আঙ্গুলের ১ চিমটি
চিনি – ৪ কাপ
তেল- ৪ কাপ
পানি – ৮ কাপ
দারুচিনি – ৩ টা

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

১ম পর্যায় – প্রথমে সুজি হালকা আগুনে ভেজে নিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে ।

২য় পর্যায় – একটি পাত্রে ফুটন্ত পানি ৮ কাপ চিনি ৪ কাপ দারুচিনি ৩ টুকরা দিয়ে জ্বাল দিন। এবার ৫ কাপ অনুযায়ী সিরা করতে হবে। এবার ৪ কাপ তরল দুধ দিয়ে নেড়ে চুলার আঁচ কমিয়ে রাখুন।

৩য় পর্যায় – লবণ ও ডিম একসাথে ফেটিয়ে নিন। এবার ভাজা সুজি দিয়ে মাখান, হাত দিয়ে রসগোল্লার মত করে গরম ডুবো তেলে হালকা বাদামী রং করে ভেজে চুলায় বসিয়ে রাখা গরম সিরায় ছেড়ে দিন। একটি চামচ দিয়ে সিরায় ডুবিয়ে দিন। এভাবে ৫ মিনিট অল্প আঁচে চুলায় রাখুন। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

Thursday, August 25, 2011

কোকাকোলা তৈরীর রেসিপি ফাঁস!

বিখ্যাত কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী ব্র্যান্ড কোকা-কোলার রেসিপি এতোদিন গোপন ছিলো। সম্প্রতি একটি সাইট দাবি করেছে, দীর্ঘ সময় ধরে গোপন থাকা সে রেসিপিটা তারা বের করে আনতে পেরেছে। এমনকী কোকা-কোলা তৈরির উপাদানগুলোও তারা খুঁজে বের করেছে। খবর সিডনি মরনিং হেরাল্ড-এর।


সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কোকা-কোলা তৈরির উপাদানগুলো কখনও জনসম্মুখে আনা হয়নি। ১৮৮৬ সালে ড. জন পেম্বারর্টন এই ফর্মূলা আবিষ্কারের পর থেকে সেটি রহস্যই থেকে গেছে। এটি কখনও পেটেন্টও করা হয়নি। ধারণা করা হয়, এই ফর্মূলা জানা লোকের সংখ্যা কেবল তিন। তারা কখনও একসঙ্গে মিলিত হন না। এছাড়াও জর্জিয়ায় অবস্থিত কোকা-কোলার হেড কোয়ার্টারের একটি ভল্টে ২৪ ঘন্টা কড়া পাহারায় একমাত্র রেসিপিটা রাখা হয়েছে। তাই কোকা-কোলার রেসিপি টা মানুষের জন্য রহস্যময় এক অজানা অধ্যায়।

অন্যদিকে, www.thisamericanlife.org নামে সাইটটির কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা এমন একটি তালিকা খুঁজে পেয়েছে যাতে লেখা রয়েছে কোন কোন উপাদান কী পরিমাণে ব্যবহার করে এই পানীয় তৈরি করা হয়। আর এই তালিকা তারা উদ্ধার করেছে ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হওয়া একটি সংবাদপত্রের আর্টিকল থেকে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রেসিপিতে থাকা উপাদানগুলোর মধ্যে রাসায়নিক উপাদানগুলো শনাক্ত করা সহজ হলেও ব্যবহৃত তেল জাতীয় উপাদানগুলো শনাক্ত করা কঠিন।

কোকাকোলার গোপন মূল উপাদানটি হচ্ছে ‘ম্যার্চেন্ডাইজ সেভেন এক্স’। এটি তৈরি করতে যেসব উপকরণ লাগে, সঠিক পরিমাণসহ এসবের বর্ণনা আলোকচিত্রে দেওয়া তালিকায় রয়েছে বলে দাবি করে ওয়েবসাইটটি।

ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ গ্যালন সিরাপে দুই আউন্স পরিমাণ মার্চেন্ডাইজ সেভেন এক্স যোগ করে কোকাকোলা তৈরি করা হয়। সিরাপ তৈরি করতে লাগে কোকার তরল নির্যাস, সাইট্রিক এসিড, ক্যাফেইন, চিনি, পানি, লেবুর রস, ভ্যানিলা ও ক্যারামেল। আর ‘মার্চেন্ডাইজ সেভেন এক্স’ তৈরিতে লাগে আট আউন্স অ্যালকোহল, ২০ ফোঁটা কমলার নির্যাস, ৩০ ফোঁটা লেবুর নির্যাস, ১০ ফোঁটা জায়ফলের নির্যাস, পাঁচ ফোঁটা ধনের নির্যাস ও ১০ ফোঁটা দারুচিনির নির্যাস।

Extract of Coca three drachms USP
Citric Acid 3 oz
Caffeine 1 oz
Sugar (it is unclear how much is required)
2.5 gallons of water
Lemon juice 2 pints a qrt
Vanilla 1 oz
Candy 1.5 oz or more color
7X flavor (2 oz flavor use 5 gallons of syrup):
8 oz alcohol
20 drops Orange oil
30 drops lemon oil
Nutmeg 10 drops of oil
Cilantro 5 drops
10 drops Neroli
Cinnamon 10 drops

আলু পরোটা

আলু পরোটা

উপকরণ: আলুসিদ্ধ ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ, আদা বাটা সিকি চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, গোল মরিচ আধা চা চামচ, লবণ ২ চা চামচ, শুকনা মরিচ ১ চা চামচ, ময়দা পরিমাণমতো।

প্রণালি: পাত্রে তেল ও পেঁয়াজ দিয়ে বাদামি হলে আদা, রসুন, জিরা, গোলমরিচ, শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ বাটা ও লবণ দিয়ে কষাতে হবে। এবার আলু সেদ্ধ দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। তারপর ময়দার সঙ্গে তা মাখাতে হবে। সবশেষে পরোটা বেলে ছেঁকা তেলে ভাজতে হবে।

form

Powered byEMF Online Form Builder

Blog Archive

news add

e